সবে একাদশ শ্রেণির ছাএ আমি,স্কুল পরিবর্তন হলো আর সাথে চেনা জানা বন্ধু অনেক কেই ছাড়তে হলো।নতুন পরিবেশ নতুনভাবে আমি মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা শুরু হলো,,,সাথে নতুন আর কয়েকজন পুরাতন বন্ধু কে নিয়ে।ভালোই চলছিলো আমার,,, দুই মাস পরে স্কুলের প্রেয়ার এর সময় চোখগুলি একটা মিষ্টিমুখ এর দিকে আকৃষ্ট হতে লাগলো,, প্রেয়ার শেষ হলো। আমরা নিজের শ্রেণীকক্ষে চলে গেলাম,পরে স্কুল ও ছুটি হলো, বাড়ীতে চলে এলাম।পরের দিন থেকে আমার চোখ গুলি এই মিষ্টিমুখ মুখ কে খুজতে থাকে,কারনে আকারনে। প্রেয়ার এর সময় খুব ভালো লাগতো, আর ক্লাসে মন বসতে চাইতোনা। লেইজার পিরিয়ডে খুব কমই দেখা হতো।মেয়েটাও বুঝতে লাগলো যে আমার চোখদুটো ওকেই দেখতে চায়, সামনা সামনি হলে।মেয়েটা প্রেয়ার লাইন এর সামনে লাইন থেকে পিছনে লাইনে গিয়ে দাঁড়াতে লাগলো,,,আমার বিষয়টা খুব খারাপ লাগতো তবুও আমি ওকেই খুজতাম।ক্লাস টিচার এর কাছে বকা শুনতে শুরু হলো,,,হোম ওয়ার্ক গুলি ঠিক মত না করার ফলে।কেমন জানি নিজের কাছে, নিজেকে পরাজিত ভাবতাম।মনকে অনেক শক্ত করি, আমার প্রিয় বন্ধুর অনিক এর কাছে সবকিছু খুলে বললাম।সে আমাকে মেয়েটিকে দেখাতে বললো,পরদিন মেয়েটিকে দেখিয়ে দিলাম,সে বললো সে তো অপরাজিতা।
আমি -বললাম তুই চিনিস ওকে?
অনিক-বললো হে।আমার বাড়ী থেকে বেশিদূর না,,সে তো ক্লাস নাইনে পড়ে।
আমি- কথা বলিস?
অনিক- দাদা ডাকে আমায়।আমি কিছু করতে পারবো না।
আমি- তুই না ভালো বন্ধু আমার।
অনিক- ভাই আমি কিছু পারবো না।
আমি- ভাই চেষ্টা কর না।
শিক্ষক- কে কথা বলে এখানে,অনিক আর গৌরব
অনিক গৌরব এর বাবাকে ডাকবো সামনে স্কুল মিটিংয়ে আর তোমার?
অনিক – স্যার আর কথা বলবো না।
লেইজার পিরিয়ডে অনিক আমার উপর রাগ করে কথা একটু কম বলতে লাগলো।
এর পর আমি ভাবলাম আমি নিজের থেকে ওকে বলবো,, আমি ওকে ভালোবাসি।
এর পরে হঠাৎ একদিন আমার সাথে ওর দেখা
আমি – কেমন আছো অপরাজিতা?
অপরাজিতা- হে আমি আপনার সাথে কথা বলবো কেন?
আমি- না বলছি কথা তো বলতে পারো?
অপরাজিতা-দেখুন আপনি কি বলবেন, আমি জানি;
আমি – কি?
অপরাজিতা – আমি সাগর কে ভালোবাসি,আপনাদের ওখানে বাড়ী।
আমি – ভালোথেকো,সাগর তো
আজ ১২ বৎসর পড়ে কথা গুলি মনে পড়ে,অপরাজিতাকে দেখি সাগরের সাথে।
আমাকে সাগর শুভেচ্ছা বিনিময় করে আর আমি ও ওকে তবে অচেনা হয়ে যাই অপরাজিতা কে দেখে।সে ও আমাকে দেখে।
STORYMIRROR
