STORYMIRROR

Romjan Ahmad Alvi

Others

3  

Romjan Ahmad Alvi

Others

আমি এবং তুমি

আমি এবং তুমি

13 mins
5

তাকে প্রথম দেখা ।


তার সাথে আমার প্রথম দেখা হই ২০২২ সালে । আমি তখন সপ্তম শ্রেনি তে লেখাপড়া করি আমি তখন আমার স্কুল এর একটা স্যার কাছে প্রাইভেট এর জন্য হঠাৎ একটি মেয়ে আমার সামনে দিয়ে হেটে চলে গেল । মেয়ে টার পরা ছিল একটি হলুদ রঙের জামা আমার এই জিনিস টা দেখে ভাল লেগেছিল যে সেই মেয়ে টা তার মাথাই যেই কাপর টা দিয়া রাখছিলো ওই কাপর তা যেন হাটার সময় মাথা থেকে পড়ে না যাই । সেই জন্য সে মাথাই তার হাত টা দিয়া রাখছিল । আমার এই জিনিস টা অনেক ভালো লাগছে । আমি তাকে দেখেই মনে মনে বলছিলাম যে ইসস এই মেয়ে তা যদি আমকে ভালবাসত । আমি কিন্তু তার মুখ টাও দেখি নাই বলতে গেলে না দেখি ভালো লাগাটা । সে কথাই থাকে কি করে আমি কিছুই জানিনা । তখন আমি আমার মত করে প্রইভেট এ চলে যাই ।


 তাকে আবার দেখা ।


আমি এক দিন কথাও একটা যাচ্ছিলাম । তখন তাকে আমি আবার অ দেখলাম সেই হলুদ জামা টা পড়া অবস্তায় । কিন্তু আফসোস এবার ও আমি তার মুখ তা দেখতে পারি নাই । সে একটা বাসায় ঢুকে গিয়ে ছিল ।


সাল ২০২৩। 


২০২৩ সাল টার প্রায় অধৈক মাস কেটে গেল । হঠাৎ একদিন একটা বাচ্চা মেয়ে আমাকে এসে বলে যে কাকু তমাকে একটি মেয়ে অনেক ভালবাসে আমি বলি যে কে সে পরে সেই বাচ্চা মেয়ে টা আমাকে বলে যে আমাদের আলাকাতে একটা আপু আছে ওই আপুটা তমাকে অনেক ভালবাসে । আর সেই মেয়ে টা নাকি আমার স্কুল এই লেখাপড়া করে ।তাও নাকি আমি যেই ক্লাস এ পরি সেই ক্লাস এই । আমি কথা টা সুনে অবাক হই নাই কারন আমাদের স্কুল এ ছেলে মেয়ে আলাদা আলাদা বসিয়ে ক্লাস করানো হই । আর আমি অনেক টা লাজুক সভাভ এর কোন মেয়ের সাথেই কথা বলিনাই কখনও তাই আমি আর তাকে চিনতে পারিনা । বাচ্চা মেয়েটার থেকে আর জানতে পারলাম মেয়েটা নাকি আমার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করে । আরও আনেক কিছুই জানলাম ।তার প্রতি অজান্তেই একটা ভালো লাগা সুরু হতে লাগলো তাকে দেখার ইচ্ছাটা বারতে লাগলো আর সব থেকে বড় কথাটা হল তার নাম মাওয়া । মেয়েটারে হইত আমি ভালোবেসে ফেলেছি । তার বিষয় এ জানার জন্য এক পাগল হইয়া যাই । আমি যেই খানেই বাচ্চা মেয়ে তারে দেখতাম ওর কথা জিগাইতাম ।


মেয়ে টার সাথে প্রথম দেখা ।


আমি একদিন বাকি সব দিন গুলার মতই স্কুল এ যাওয়ার জন্য বের হইছি । আমার সামনে অনেক গুলা মেয়ে ছিল তারা অনেক হাসাহাসি করতেছিল হঠাৎ করে একটা মেয়ে ডাক দিচ্চে ওই মাওয়া মাওয়া । আমি এই কথা তা সুনে ত অবাক হইয়া গেসি দেখলাম যে মেয়ে টারে এই ই কি সেই মেয়ে যেই মেয়ে আমাকে এতটা ভালবাসে । মেয়ে তা যে এতো সুন্দর ছিল সেটা বলে বোযানো যাবে না । সেই দিন ই আমি মেয়ে তারে এই প্রথম দেখলাম মাশাল্লাহ । 


আমার জিবনের নতুন মোড় ।


আমি এক দিন কোন একটা কাজ আর জন্য বাসা থেকে বের হইছি বের হইয়া দেখি সেই মেয়ে যেই মেয়ে তারে আমি না দেখে মনে মনে ই বলছিলাম ইস মেয়ে তা যদি আমকে ভালবাসত । সে তখন সেই হলুদ জামা জাই পরা ছিল । আমি ত এত দিন তার মুখ তা দেখছিলাম না কিন্তু আজকে আমি একদম অবাক হইয়া গেছি কারন এই মেয়ে তাই হল সেই মেয়ে যে আমকে ভালবাসে । এই জিনিসটা দেখার পরে আমি আবার তাকে নতুন করে ভালবাসা সুরু করলাম । এর এখন থেকে আমি স্কুল এ যাওয়ার সময় সব সময় আমি আল্লাহ্ এর কাসে দোয়া করতাম । যে আল্লাহ তার সাথে যেন আমার দেখা হই দেখা হলে আমি মসজিদ এ টাকা দিব । তার সাথে যদি দেখা হত আমি টাকা দিতাম যখন যেই কই টাকা দিতে পারতাম আমি দিতাম । তাকে একবার দেখার যেই মানসিক শান্তি টা যে কত তা গভির সেটা বলে প্রকাশ করার মত না । এই অনলাইন এর যুগ এ আসেও যে এই রকম একটা ভালবাসার মানুষ পাওয়া যাই সেটা আমার সত্যি জানাছিল না । তার সাথে আমার অনলাইন এ কোন কথা হত না সামনা সামনি ও কোন দিন কথা হই নাই সুদু সে আমাকে দূর থেকে দেখে আমিও তাকে দূর থেকে দেখি । এটাই আমাদের ভালবাসার সুরু । 


তাকে এক নজর দেখার অপেক্ষা ।


আমাদের তো কখনও সামনা সামনি কথা বা অনলাইন এও কথা বলতাম না । তাকে এক নজর দেখা টাই ছিল বলতে গেলে আমার ভাগ্য । তাই আমি তাকে সব সময় দেখার উদ্দেশে থাকতাম কখন তারে দেখব । আর এতো দিন এ কথাই প্রাইভেট এর জন্য যাই । তাই আমি মাজে মাজে তার জন্য বাহিরে অপেক্ষা করতাম । তেমন ই এক দিন আমি আমার প্রাইভেট এ গেসিলাম আর আমি ত দুই যাইগাই পরতাম । এর সেই দিন কেন জানি একটা স্যার পরাবেন না । আমি তো অনেক খুসি হলাম কারন এখন যদি আমি তারা তারি যাই । তাহলে তাকে দেকতে পারব তাই আমি তারা তারি দর দিয়া তার প্রাইভেট এর সামনে চলে গেলাম । সেই দিন আবার বৃষ্টি হচ্চিল অনেক তাই আমি ছাতা মাথাই দিয়াই তার জন্য অপেক্ষা করতে থাকি । অনেক কখন চলে যাই কিন্তু সে আসে না । সত্যি বলতে তার জন্য অপেক্ষা করতে আমার ভালই লাগছে । এরকম আরও অনেক বার তার জন্য আমি ঘন্টার পর ঘন্টা তার জন্য আমি অপেক্ষা করেছি ।


সাল ২০২৪ । 


আমি বছর এর সুরুর দিক কক্সবাজার ঘুরতে গেসিলাম । তার জন্য আমি আসার সময় আমি সামুক এর মালা কিনা আনছিলাম । আমি সেই বাচ্চা মেয়েটারে যাইয়া বলছিলাম যে আমি তো তার জন্য মালা কিনা আনসি সে যেন জাইয়া মাওয়া রে দিয়া দেই । বাচ্চা মেয়ে টা বলল যে নিয়া যাবে এক দিন নিয়াও গেছিল সে নাকি প্রথম এ নিতে চাই নাই কিন্তু বাচ্চা মেয়ে টা তাকে জোড় করেই দিয়া আইছিল । মালা গুলা দেখার পরে আমার উদ্দেসে একটা চিঠি সে লিখে দেই । চিঠি টাতে লিখা চিল যে Thank you so much romjan এই টুকুই চিল তার দেওয়া চিঠিতে । এটাই ছিল তার দেওয়া প্রথম চিঠি । 


তার সাথে কথা বলার চেষ্টা ।


জানুয়ারি মাসের দিকে ত কম বেশি সব স্কুল এই খেলাধুলা হই । তো আমদের স্কুল এও হচ্চিল তখন আবার আমার এক মাত্র সালি মানে তার ছোট বোন ও আমাদের স্কুল য়ে ভরতি হই । সে জখন দারাইয়া দারাইয়া খেলা দেখত আমি তার কাছে যাইতাম তার সাথে কথা বলার জন্য কিন্তু কথা বলার সাহস তা হইত না আমার কেন জানি আর আমার সালিটা আমার এরকম কাজ দেখে হাসত । এরকম ভাবে বার বার তার কাসে জাইতাম আর চলে আসতাম কথা বলার সাহস হত না । 


আমার জন্ম দিন । 


আমার জন্ম দিন তা কবে সেটা সে ভাল করেই জানে যেই দিন আমার জন্ম দিন ছিল । আমার যেই দিন জন্ম দিন টা ছিল সেই দিন রাতের দিকে আমাকে আমার সব সালি রা মিলে আমাকে ওয়িশ করে । আর আমার সালি বলে যে ভাইয়া ক্লক স্কুল ও জাও্যার সময় আমার সাথে জাবেন । আপনার সাথে আমার অনেক জ্রুরি কথা আসে । আমি বললাম যে আচ্চা তমার সাথেই জাব আমি । সকালে স্কুল আর জন্য বের হইছি বের হইয়াই দেখলাম যে তাদের সাথে দেখা । কিছু খন হাটার পরে আমার সালি টা আমাকে ডাক দিল । পরে আমার সাথে হাটা সুরু করল । একটু পরে আমাকে বলে যে ভাইয়া আপু তমার জন্য স্টোবেরি দিচে দুই টা । ও মা একটু পরে দেখি যে আমার সালি তা ব্যাগ থেকে একটা চকলেট এর বক্স বের করল । আমি বললাম যে এটা আমার লাগবে না সালি আমাকে বলল যে তারা তারি নেন মানুষ জন দেখে ফেলবে কি আর করব নিয়া ফেললাম । আমিও তাদের কে চকলেট দিলাম সাথে দিলাম একটা আমার আঁকানো ছবি । 


শিক্ষা সফর এ যাওয়া । 


হঠাৎ এক দিন আমার সালি আয়সা আমাকে বলে যে ভাইয়া তুমি কি স্কুল আর থেকে ঘুরতে জাবা আমি বললাম যে তমার আপু গেলে আমিও জাব । সালি বলে যে আপু যাবে আমি বললাম যে তাহলে আমিও জাব । তার কয়েকদিন বাদেই আমারা গেলাম স্কুল থেকে ঘুরতে । বাস এ থাকা অবস্তাতেও তাকে দেখছিলাম আমার আর তার বাস এক সাথেই ছিল দরতে গেলে । এই খানে গেলাম আমাদের নিয়া গেছিল একটা পারকে । এই খানে জাও্যার পর তাকেই বেশি দেখতেছিলাম আমি খেয়াল করি আমার সালি টা একটু পর পর আমার ভিডিও করতেছিল । 


অনলাইন এ কথা বলার সুরু টা ।


আমার আবার এক সাথে স্কুল এ যাচ্ছিলাম তখন সালিও আমার সাথে কথা বলতে ছিল । এর কথাই কথাই আমি তাকে বলে ফেলি যে তার আপুর একটা ছবি আমার কাছে আছে । ছবি টা আমি আমার একটা ফ্রেন্ড এর কাস থেকে নিচিলাম । কথা তা সুনে আমার সালি বলল যে ভাইয়া তাহলে আমাকে দিয়েন ত আমি দেখমুনে আমি বললাম যে কি ভাভে দিব আমি বললাম যে আমার ত whatsapp আছে সেই খানে কি নিবা নাকি অ বলল যে না আম্মু জানতে পারলে খবর খারাপ করে দিবে । তাই বলে আমার সবাই স্কুল এ ডুকে গেলাম । স্কুল ছুটি হওয়ার পরে আমি আমার সালি রে আমার নাম্বার তা দিয়া দি । সালি আমার নাম্বার টা নিয়া যাই । তার দুই দিন পরে আমার সালি আমাকে এসএমএস করে সালির সাথে একটু কথা বললাম । তার পরের দিন থেকে তার সাথে কথা বলা সুরু করলাম । কিন্তু আমি একটা জনিস সব সময়ই খেয়াল করতাম যে সে কখন ই নিজের থেকে কোন কথা আমকে জিজ্ঞাসা করত না । আমি মনে করতে সুরু করি যে সে হইত আমার সাথে মজা নেও্যার জন্য হইত আমার সাথে কথা বলে । কিন্তু এটা আম্র আক্তা ভুল দারনা ছিল এর থেকে বেশি কিছু না । এর পর থেকে আমরা এই ভাভেই কথা বলতে থাকি । সুদু এসএমএস এ কল এ আমাদের কখন ই কথা হই নাই ।


তার সাথে প্রথম কল ।


শবেবরাত এর দিন রাতের বেলাই আমি কোচিং থেকে আস্তেছিলাম । তখন দেখি যে সে আর আমার সালি একটা দকান এর সামনে দারাইয়া ছিল । আমাকে দেইখা আমার পিছে পিছে আসতে থাকে । আমার সালি আমাকে বলে যে ভাইয়া আজকে কি সারা রাতে নামাজ পরবেন আমি বলছিলাম যে দেকি কতক্ষণ পরতে পারি । ঠিক তখন ই আমকে সে ডেকে বলে যে কলাকে সকালে কি লাইন আসতে পারবা কালকে আম্মু থাকবে না আমি বললাম যে আচ্চা দেখি আস্তে পারি কিনা । পরের দিন আমি সকাল সকাল ই লাইন এ আসি আয়সা ই তার সাথে কথা বলা সুরু করি তখন আমার সালি ভইচে দিয়া বলে যে ভাইয়া কল দেন । তখন আমি কল দি ও মা কল দিয়া দেখি যে সুদু আমার সালি রা সুদু সালি দের কণ্ঠ । সালি দের সাথেই কিছু খন কথা বললাম বলে বললাম যে তমার আপুর কাছে দেও মোবাইল টা পরে অনেক খন কথা বললাম আমি তার সাথে এটাই ছিল তার সাথে আমার প্রথম কথা । আমার এই জিনিস টা সব থেকে বেসি ভাল লাগছিল যে সে প্রথম বারেই আমাকে তার সব কথা গুলা শেয়ার করছে । কে তারে প্রপোস করছে কথাই কি হইচে না হইছে সব কিছুই আমার সাথে শেয়ার করছে । তার সাথে আমি টানা ৮০ মিনিট কথা বললাম । আর তার আম্মু ত নানুদের বাসায় গেছিল তাই জখন মঞ্চাই তখন ই কথা বলতাম । তার পরে তার আম্মু চলে আসল আর আমাদের তো কল এ কথা হই না , সুদু এসএমএস এই কথা হইত । 


তার নানু বাড়ি তে বেরাতে যাওয়া ।



রোজা ১৫ টা হওয়ার পরে তাকে তাদের মামা নিতে আসল , আমি তাকে অনেক শাসন করতাম সব কাজ বলে বলে করাতাম । সে নানু বাড়ি গেল আমি খনই তাকে বেরতে দিতাম না । সব সমই ঘরের মদ্দেই থাকতে বলতাম তাকে কথা ঘুরতেও জাইতে দিতাম না একা একা । এর সেও ও আমার কথার বাহিরে খনই যেত না একটা লক্ষ্মী মেয়ের মত আমার সব কথা সে শুনত কখনও কোন অভিযোগ করত না সে । আর তখন তো আমরা সারা তা দিন ই কথা বলতাম সুদু ফজর এর নামাজ এর পর থেকে কথা বলা সুরু হত আমাদের । দিন এ সর্ব নিম্ন ও যদি বলি ৩ ঘন্টা এর সরবচ্চ ৫ ঘন্টা । এক কথাই বলতে গেলে তার সাথে কথা না বলতে পারলে অনেক খারাপ লাগত । আমিও জখন দেশে জাই আমি জখন জেই খানেই জাইতাম আমি তারে বলে জাইতাম নাহলে সে যে অনেক চিন্তা করত আমাকে নিয়া । তেমন ই একদিন রাতে কথা বলার সমই আমার সালি আমাকে বলে যে ভাইয়া ভিডিও কল দেও আমি প্রথম এ রাজি না হলেও পরে ভিডিও কল টা দিছি । প্রথমে আমার কিউট শালি তার সাথেই কথা বললাম । সে অনেক সরম পাচ্ছিল কথা কলে ভিডিও কল এ কিন্তু পরে বলেই ফেললাম । এই তো সুরু হল আমাদের ভিডিও কল এখন সুযোগ হলেই ভিডিও কল এ কথা বলতাম । তেমন ই তার ঢাকা আসার সমই হয়া গেল ঢাকা আসার আগের দিন সে অনেক কান্না করে । কান্না করার ই কথা কারন এত দিন এতো কথা বললাম আর ঢাকা গেলে ত আর আমাদের এইভাভে কথা বলতে পারব না । এই নিয়া সে অনেক কান্না করে । যেই দিন সে ঢাকা ব্যাক করবে সেই দিন আমি যতক্ষণ সে গারি তে ছিল আমার সাথে সে ভিডিও কল এ ছিল । সারা তা রাস্তা আমার ভিডিও কল দুই জন দুই জনরে সুদু দেখছি । সে জখন ঢাকা জাইয়া বাসায় ডুকে ডুকার সাথে সাথে আমাকে আবার অ ভিডিও কল সেই জামা কাপর না খুলেই হাত্মুখ না দুইয়াই সে আমাকে আবার কল দেই সেই দিন রাতেও অনেক কথা হই । এই ভাভেই আমাদের এই ভালবাসার সমই তা কাটতে থাকে । 



ছোট একটা ঘটনা ।



এক দিন আমি আর সে স্কুল থেকে আসতে ছিলাম সে আমার সামনে ছিল আর আমি তার পিছে । তখন তার আম্মু আমাদের কে দেখে ফেলে আর ওর আম্মু আমাকে আগের থেকেই চিনে যে তার মেয়ে আমাকে ভালবাসে কিন্তু আমার সাথে যে তার মেয়ে কথাও বলে সেটা সে জানত না । জাই হক তার আম্মু জখন আমকে দেখল তখন তাকে জিজ্ঞাসা করল যে আয়টাই কি সেই ছেলে । ময়না বলল যে হুম , আমি তারে সব সমই ময়না বলেই ডাকি তাই এই খানেও ময়না বলে আমি তার নামে তা লিখব । তার আম্মু আমদের কে দেখার পরে তাকে কিছুই বলে নাই । কিন্তু আমার সালিরে আয় বিষয় এ জিজ্ঞাসা করছিল যে আমার সাথে কন কথা বলে নাকি আমার সালি বলচে যে না আম্মু আপু কন কথা বলে না । ওর আম্মু বলে যে তাকে নাকি আর মোবাইল দরতে দিবে না । এই কথা সুনে ত সে অনেক কান্না সুরু করল ভিডিও কল এ আয়সা অনেক কান্না করছিল তার কান্না দেইখা আমার অ অনেক কান্না হচ্ছিলো । কিন্তু তার কয়েকদিন বাদেই সব কিছু আবার আগের মত হইয়া যাই । 



কোরবানির ঈদ ।



কোরবানির ঈদ এর সমইও তার মামা আয়সা তাদের কে নিয়া যাই । এবার সে যাওয়ার সমই অনেক কান্না করছিল তার বেস্ট ফ্রেন্ড রে জোড়াইয়া দরে । জাই হক সে নানু বাড়ি গেল । আবার সুরু হল আমাদের কথা বলা । আবার অ দিন রাত কথা বলতে লাগলাম । আবার দেশে থেকে তার আগে আমি আসব । আসার আগের দিন রাতে আমি অনেক কান্না করছিলাম সেও অনেক কান্না করছে । কান্না করার ই কথা কারন এই কই দিন তার সাথে আমি দিন এর থেকে সুরু করে রাত ৩ টা পযন্ত কথা বলছি । এখন তো আর এই ভাভে আমাদের কথা হবে না । জাই হক আমি ঢাকা চলে আয়সাই তাকে ভিদিও কল দিলাম দেও্যার সাথে সাথে সে কান্না করে দিচে । তার কয়েক দিন বাদে সেও ঢাকা চলে আসল । 



তার মামার বিয়া । 



তার এক মামার বিয়া ঠিক হইছে আর তাদের কে তাদের মামা কল দিয়া জাও্যার জন্য অনেক জোর করতে থাকে । এক পরযায়ে তার আম্মু রাজি হই জাও্যার জন্য । কিন্তু সে জাইতে চাই না । আমাকে ছেরে জাইতে চাই না সে তাও তার জাইতে হই কিচু করার নাই । সে যে বিয়া খাইতে গেসে আমি তারে বিয়া খাইতেও বোরকা মাস্ক হিজাব করা ছারা জাইতে দি নাই । তাকে কথাও গুরতেও জাইতে দি নাই তার পরে আবার তারা বিয়া খাইয়া ঢাকা চলে আসল । আমার আবার এক সাথে স্কুল এ যাওয়া সুরু করলাম ।



আমার জীবন এর নতুন মোর । 



হঠাৎ রাতে আমার আব্বু আমাকে আয়সা বলে যে বাবা একটা খবর আসে ভাল আবার খারাপ । আমি বললাম যে কি খবর আব্বু । আব্বু বলে যে আমার ত নিউ একটা চাকরি হইচে । আমি ত ওই খানে চলে জাব । কিন্তু আমি ভাভতেচি তমার কথা তমার কি লেখাপড়ার কন সমস্যা হবে । আমি বললাম যে হুম হবেই ত আমি তও আর কয়েক দিন বাদেই SSC এক্সাম দিব আখন যদি স্কুল চাইরা দি তাহলে ত অনেক বর সমস্যা হইয়া যাবে । তখন আব্বু বলল যে তাহলে একটা কাজ করি তুমি এয় খানে একা একা কি থাকতে পারবা । আমি বললাম যে হুম পারব । এই কথা গুলা সুনার পরে আমার বুক টা মনে হচ্ছিল যে ফাইত্তা যাবে এতটা কষ্ট হচ্চিল আমার । আমি তখন কথা গুলা তাকে জানাই কথা গুলা সুনার পরে সেও কান্না করে দেই । আর আমিও পাগল এর মত কান্না করতে থাকি জিবনে খনই আমার আততা কষ্ট হই নাই । সে আমাকে বার বার বলতেচে অই তুমি আমাকে রাইখা জাইয় না দয়া করে আমি থাকতে পারবনা তমাকে চারা থাকতে । এই কথা জখন আমার সালি জানতে পারে সেও অনেক কান্না করে অনেক । তার পরের দিন সে জখন স্কুল এ জাই তখন সে জানালার পাছে বসে বসে কান্না করে । তার পরের দিন জখন আমার সালি তা স্কুল এ আসার সমই আমি পিছন থেকে তার নাম দইরা দাক্তেচিলাম আম্র দাক সুইনা সে আবার ও কান্না করে দেই । আর স্কুল জাইয়া আমার শালিটা আমার ময়নারে বলতেচে আপু ভাইয়া যদি তরে ভালনাও বাসে তাও তুই ভাইয়ারে নিজের ফ্রেন্ড বানাইয়া রাখিস ভাইয়ার শাতে সব সমই কথা বলিছ আমার সালি তাও কন ভাভে মেনে নিতে পারতেছে না যে আমি চলে জাব আমার জন্য কিছুক্ষণ সমই বাদে বাদেই কান্না করে দিতেচে আর বলতেচে আপু ভাইয়া কি আসলেই চলে যাবে । জানিনা আমি এই খানে থাকতে পারব কিনা । সত্যি বলতে আমার অ বুক তা ফেটে কান্না আস্তেচে কিন্তু কিছু করতে পারতেছি না । দেখি শেষ পযন্ত কি হই । আল্লাহ্ কি রাখেন আমাদের কপাল এ ।


Rate this content
Log in

More bengali story from Romjan Ahmad Alvi