বর্ধমানক সাঁতরা ১: উদয় ছোটো গল্প ১ ভ্রমণ
বর্ধমানক সাঁতরা ১: উদয় ছোটো গল্প ১ ভ্রমণ
তারিখ - ১৯/১১/২০১০
দুপুর - ১ টা
পাঁচ বন্ধু কলেজে গেছে। সেই কলেজের নাম বিশ্বভারতী যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দ্বারা প্রতিষ্ঠিত। পাঁচ বন্ধু নাম -
অগ্নিমুখ সেন
নীলবর্ণ ঘোষ
বর্ধমানক সাঁতরা
বর্ষা সেনগুপ্ত
অর্পিতা দত্ত
তারা কলেজে গিয়ে ভারতের নানান সুন্দর জায়গার গল্পও করছিল।
অগ্নিমূখ : জানিস? আমি একবার হিমালয়ের ডুয়ার্স অঞ্চলে গেছিলাম। বর্ধমানকও সঙ্গে গেছিল। ও ঠান্ডায় কাপছিল না উলটে ভয়ে কেঁদে....
বর্ধমানক: এই চুপ কর, আমি খালি একটু ভয় পাই তাবলে এমন করবি?
বর্ধমানক কি জানত? যে প্রথমবার সে ভয় কে ১ সপ্তাহ পর হারাবে।
অর্পিতা: বর্ধমানক ছেলে হয়েও কাদে, আমি আর বর্ষা তো কাদি না?
বর্ষা: ধুর, ও কি হয়েছে ও তো মানুষ !
নিলবর্ণ : হিমালয়ের ডুয়ার্স অঞ্চলের কথা শুনে মনে পড়ল, চলনা কোনো পাহাড়ি অঞ্চলে যাই?
অর্পিতা : পাহাড়ি অঞ্চলে যাবি? তাহলে ... (একটু ভেবে) চলনা কালাপাহাড়ি তে এডভেঞ্চার করি।
বর্ধমানক: আ.. আ আম আমরা কালাপাহাড়ি যাব? শুনেছি ওখানে খুব অন্ধকার খুব ঘন জঙ্গল।
বর্ষা: ভাগ, লণ্ঠন জালাবনা আমরা? ভীতু কোথাকার!
অগ্নীমুখ: আচ্ছা আমি ১ সপ্তাহ পর বৃহস্পতিবার এর জন্য বাসের সিট বুক করছি।
বর্ষা : আচ্ছা তাহলে আমি মা বাবাকে বলছি এখনই করছি না মা বারণ করলে ৪ তে সিট।
বর্ধমানক: ৩ তে
বর্ষা : ৩ তে কেনো?
বর্ধমানক: আমি যাব না।
নীলবর্ন : কেনো মা বাবা যেতে দেবে না ?
বর্ধমানক: দেবে না কেনো? আমার ভয় করে।
অগ্নীমূখ: ভয় কেনো করবে ? আমরা সাঁথে আছি না? আশা করি কোনো দুর্ঘটনা ঘটবে না। না হলে ৫ জন বা ৪ জন ছড়িয়ে পর্ব সর্বদিক।
অর্পিতা: 'সর্বদিকে ' আবার কি?
অগ্নিমুখ: ওই ' অগ্নেও মৌখিক ' ভাষা।
সবাই : হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ।
সময় - ৪ তে
অগ্নিমুখ বাড়ি গিয়ে এক whatsapp group বানালো।
নাম এডভেঞ্চার।
Whatsapp mode
অগ্নি অ্যাডেড বর্ষা, বর্ধমানক, নীল, এন্ড অর্পিতা
Varsha-
Ami permission peye gechi
Agni -
Book kora hoye geche
Sokal pachtay bus
Vardhamanak -
Kire ekhon khub thanda cholna gorom kale jai
Nil -
Sun li na
Book hoye geche
Agni -
Sir 50, 51, 52, 53, 54
4000-/ persit
Nil-
Baba eto taka asar baser ki hobe
Agni -
Thika ache
25 tarikh rat 4 te somoy beriye jabi.
Vardhamanak late korichna amra achi
Sit er khub dam
Tui asis
Agni-
Voted
Poll voting hoche ke pahare gobhire jabe? -
Gobhire jabe - 4
Gobhire jabe na - 1
Ke jete chayna?
Vardhamanak -
Ami
Agni-
Amra songe achi
Vardhamanak -
Thik ache
Agni-
Tahole chol
সবাই এখন বাস স্টেশন এবসে আছে। দারুণ মজা করে ঝালমুড়ি, পান খেয়ে আড্ডা হচ্ছে, কিন্তু বর্ধমানক ৪:৫০ সকালে দৌড়ে আসছে। এবার ৫ তার বাস এ ওঠা হলো। উঠেই অর্পিতা বলল, " তোকে কইলাম না? তাড়াতাড়ি আসতে"
বর্ষাও বলল হ্যাঁ!
বর্ধমানক: ধুর ৩:৫০ সকালে উঠে স্নান করেছি! ঘুমাতে দেতো!
সবাই মন ভরে ঘুমালো।
সবাই বাস এ বসে আছে। সেই সময় কন্ট্রাক্টর শিব দাস তাদের জিজ্ঞাসা করলে - " তোমরা কোথায় যাচ্ছো বাবা?"
অগ্নিমুখী: আমরা কালাপাহাড়ি যাব।
শিব: বাবা! কালাপাহাড়ি যাচ্ছো?
ও মহাভয়ানোক জায়গা। সেই জঙ্গলে রাতে একটা মানুষ মারা গেছে সাপের কামরে। যদিও সে কিচ্ছু জানত না।
ওখানে সবথেকে ভয়াবহ ও বিষাক্ত সাপ পাওয়া যায়। যদিও তাদের খুব কম দেখা যায়। আমার কথা শোনো তোমরা, এখনও ছোট তোমরা। বিপদে পড়তে পারো।
অগ্নমুখ: সেই সাপ তো খুব কম পাওয়া যায়। সেই সাপ কামড়ালে তার তো কোনো ঔষধ আছে নাকি?
শিব: হ্যাঁ, অবশ্যই ঔষধ আছে। তার নাম সর্পিলাজ।
তুমি কি জানতে চাও সে ইলাজ?
নীল: হ্যাঁ হ্যাঁ বলো যদি বিপদে পরি তাহলে কাজে আসবে।
শিব: পাশে আছে শিবেত্র পর্বত। সেখানকার পাতা গঙ্গার জলের চেও পবিত্র । সেই পাতার রস হলো ঔষধ।
বর্ষা: পাতার নাম কি?
শিব: সেখানকার সর্বৃত্র পাতা ঔষধ কিন্তু সেই পাতা খুব কম পাওয়া যায়। সেই পাতা সূর্য সমান উজ্জ্বল।
দেখতে দেখতে বারোটা বাজলো তারা বাস থেকে নামল।
বর্ধমানক: উফ আমি যতটা ভয়াবহ ভেবে ছিলাম তার থেকে কম।
নীল : দাড়া এত সবে শুরু হয়।
{কোচ শব্দ কামড়ানোর}
নীল : আ!
অগ্নি: কি হলো? এমা! ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে বিপদ। নীলকে সেই সাপ কামড়েছে।
নীল ছটপট করতে থাকে। অগ্নিমুখ্ সাপট্টার লেজ ধরে টান মারে। সেই সাপটাকে ছড়ানোর চেষ্টা করে। অর্পিতা একটা বড় ছুরি অগ্নিমুখ্ এর দিকে ছুঁড়ে মারে। অগ্নিমুখ তা দিয়ে সাপটার মাথা কেটে দেয় ও আসতে আসতে মাথা টা ছাড়ায় ও একটা সমান পাথরে শুইয়ে দেয়।
অগ্নিমুখ: আমি আর বর্ধমানক গিয়ে ওই পাতাটা নিয়ে আসছি। তোরা দুই জন টেন্ট এর ব্যবস্থা করে নীল কে শোয়া।
অগ্নিমুখ, বর্ধমানক, বর্ষা ও অর্পিতা কাজ শুরু করে দিলো।
অগ্নি ও বর্ধ এগোচ্ছে। শিবেত্রো পর্বত এর যাত্রা বিশাল। এই যাত্রায় বর্ধ ভয়ে কাপছিলো।
ডাকাতরা: হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ আমাদের কাছে এসে খুব বড় ভুল করেছিস।😂😂😂😂😂
বর্ধমানক: ওই লোকটা তো বলল না এখানে ডাকাতও আছে।
অগ্নি: এলাজ সম্পর্কে বলেছে এটাই অনেক।
প্রথম ডাকাত: স্বয়ং মাকালীর বলি দেবো ভালো তোলবার দিয়ে। স্বর্গে বা নরকে চোখ খুলবে।
অগ্নি: (আসতে) এটা তো সুযোগ রে! এখন তুই বাঁচিয়ে দেখা আমাদের
বর্ধমানক প্ল্যান বানিয়েই রাখলো।
ডাকাতরা তাদের বাসায় নিয়ে এলো।
এক ডাকাত বর্ধ কে বলি দিতে গেলো সেই সময় ওর প্ল্যান টা জাগ্রত হলো।
বর্ধ: দাঁড়াও আমার শেষ ইচ্ছা শোনো।
ডাকাত: ও আমি তো ভুলেই গেছিলাম😂 তবে তোর শেষ ইচ্ছা কি?
বর্ধ: এটা আমাদের দুজনের শেষ ইচ্ছা।
এক ঘণ্টা ঘুমাবো আমরা।
ডাকাত: 😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂[সে হাসি বন্ধই হচ্ছে না যেনো ওদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে]
আচ্ছা তবে ঘুমা ১ ঘণ্টা হাসতে হাসতে গোলা ব্যথা 😭😂😂😂করছে!
তারা বর্ধ ও অগ্নি কি ১ ঘণ্টা ঘুমাতে দিয়ে চলে গেলো।
অগ্নি: ইস ছি ছি ছি ছি, সবাই মারা যাবে।
বর্ধ: আজ অব্দি এডভেঞ্চার এ কেউ মোর নি। গ্রুপ এর নামই তো এডভেঞ্চার রেখেছিস। আমার প্ল্যান আছে।
বর্ধ একটা ছুরি নিজের জুতোর নিচ থেকে বার করে দড়ি কাটল ও মুক্তি পেলো। তারপর দুজন মিলে পাতা ছিড়ে দৌড় মারল। একটু পরে তারা দৌড়ে দৌড়ে প্রায় সাড়ে ২ ঘণ্টা পর পৌঁছে গেলো। ততক্ষণে টেন্ট এর ব্যবস্থা হয়ে গেছে। নীল এর গায়ে পাতার রস লাগলো। ১ ঘণ্টার মধ্যে সে ঠিক হয়ে গেলো।
এডভেঞ্চার শেষ হলো।
Whatsapp mode
Adventure
Agni-
Amra nijeder prothom adventure kalapahari te sofol o ami 2nd adventure bhebechi
Mokor island
Kumire bhora
